cbajia ব্যবহার করে কেউ কি সত্যিই উপকৃত হয়েছেন? অবশ্যই হয়েছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার সদস্যরা কীভাবে cbajia-তে শুরু করলেন, কোন কৌশলে খেললেন এবং কতটুকু পেলেন – সেই গল্পগুলো এখানে সরাসরি তাদের ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।
বগুড়ার চা বাগানে cbajia-র টস প্রেডিকশন নিয়ে মেতে উঠেছেন জাহাঙ্গীর আলম
কেস স্টাডি ০১ · বগুড়া
বগুড়ার একটি চা বাগানে মাঠ তদারকির কাজ করেন জাহাঙ্গীর আলম। বয়স ৩৪, পরিবারে স্ত্রী ও দুই সন্তান। cbajia-র নাম প্রথম শুনেছিলেন এলাকার এক বন্ধুর কাছে। "শুরুতে বিশ্বাসই হয়নি," বলেন তিনি। "মনে হয়েছিল আরেকটা ধোঁকার ফাঁদ।"
কিন্তু বন্ধুর রেফারেল কোড দিয়ে ৳৫০ দিয়ে শুরু করার পর অভিজ্ঞতা বদলে গেল। cbajia-র ইন্টারফেস সম্পূর্ণ বাংলায়, পেমেন্ট bKash-এ সাথে সাথে – এই দুটো বিষয় তাকে আস্থা দিয়েছে। প্রথম মাসে মাত্র ৳৩০০ জিতেছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে ক্রিকেটের পিচ কন্ডিশন, টস ইতিহাস ও দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে নিজের একটা পদ্ধতি দাঁড় করিয়েছেন।
জাহাঙ্গীর বলেন – "আমি কখনো বড় অঙ্কে একটা বেট করি না। ছোট ছোট বেট, কিন্তু গবেষণা করে। cbajia-র লাইভ স্ট্যাটিস্টিক্স দেখে সিদ্ধান্ত নিই।" এই পদ্ধতিতে তিনি গত আট মাসে মোট ৳৪৫,০০০ এর বেশি জিতেছেন।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পহেলা বৈশাখের উৎসবে cbajia-র বিশেষ অফার উপভোগ করছেন রাফিয়া
কেস স্টাডি ০২ · সেন্ট মার্টিন
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটন ব্যবসার সাথে যুক্ত রাফিয়া বেগম। বয়স ২৮। মৌসুমী ব্যবসা বলে বছরের কিছু মাস আয় থাকে না। cbajia-র কথা জানলেন একজন পর্যটকের কাছ থেকে, যিনি দ্বীপে বেড়াতে এসে cbajia-র অ্যাপ ব্যবহার করছিলেন।
রাফিয়া মূলত cbajia-র লটারি ও উৎসব বোনাস ব্যবহার করেন। "আমি বেশি জটিলতায় যাই না," বলেন তিনি। "cbajia-র যে উৎসব অফারগুলো আসে, সেগুলোতে অংশ নিই। পহেলা বৈশাখে ৳৩০০ দিয়ে ৳৮,৫০০ জিতেছিলাম – সেটাই এখন পর্যন্ত সেরা স্মৃতি।"
cbajia-র বাংলায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস তাঁর জন্য বিশেষ সুবিধা। দ্বীপে ইন্টারনেট মাঝে মাঝে ধীর হলেও cbajia লোড হয় ঠিকঠাক। "সমুদ্রের ধারে বসে মোবাইলে cbajia খুলি – কোনো সমস্যা হয় না," হেসে বলেন রাফিয়া।
আরও গল্প
প্রতিটি গল্প আলাদা, কিন্তু cbajia-র প্রতি আস্থা একটাই
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে cbajia-র ফিশিং গেমে মজা নিচ্ছেন করিম ভাই
কেস স্টাডি ০৩ · কক্সবাজার
কক্সবাজারে নৌকায় মাছ ধরার ব্যবসা করেন আব্দুল করিম। ৪২ বছর বয়সী এই মৎস্যজীবী cbajia-তে এসেছেন তাঁর ছেলের পরামর্শে। ছেলে ঢাকায় পড়ে, সে-ই বাবার ফোনে cbajia ডাউনলোড করে দিয়েছিল।
করিম মূলত cbajia-র ফিশিং গেম পছন্দ করেন। "মাছ ধরি সমুদ্রে, cbajia-তেও মাছ ধরি!" হাসতে হাসতে বলেন তিনি। এই গেমটা তাঁর কাছে পরিচিত মনে হয়েছে – কারণ ফিশিং গেমের ধরন কিছুটা তাঁর নিজের পেশার মতোই মনে হয়।
মৌসুমের বাইরে যখন সমুদ্রে যাওয়া যায় না, তখন cbajia-র আয় সংসার চালাতে সাহায্য করে। গত তিন মাসে মোট ৳২২,০০০-এর বেশি জিতেছেন। "টাকা বেশি না, কিন্তু বাড়তি আয় হচ্ছে – এটাই বড় কথা।"
cbajia-র ২৪/৭ সাপোর্টে একবার বাংলায় সাহায্য নিয়েছিলেন করিম। "বাংলায় কথা বলল, আমি বুঝলাম, সমস্যা ঠিক হয়ে গেল। এটা ভালো লাগল।" বলেন তিনি।
* সদস্যরা একাধিক বিভাগে অংশ নিতে পারেন
কেস স্টাডি থেকে শেখা
কেস স্টাডিতে অংশ নেওয়া প্রায় সব সদস্য একটা কথা বলেছেন – বেটিংয়ে সফল হতে অডস বোঝাটা সবচেয়ে জরুরি। cbajia-তে মূলত দশমিক (ডেসিমাল) ফরম্যাট ব্যবহার হয়, যা বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কাছে সবচেয়ে সহজবোধ্য।
cbajia ডিফল্টে ডেসিমাল ফরম্যাট দেখায়। সেটিংস থেকে পরিবর্তন করা যায়।
কক্সবাজার বিচে cbajia-র এন্টারটেইনমেন্ট গেম উপভোগ করছেন পর্যটকরা
কেস স্টাডি ০৪ · কক্সবাজার
কক্সবাজারের হোটেল ব্যবসায়ী মাহবুব রহমান cbajia-র এন্টারটেইনমেন্ট গেমগুলো পছন্দ করেন। পর্যটন মৌসুমে ব্যস্ততার পরে রাতে সমুদ্রের ধারে বসে cbajia খোলেন। "ক্লান্তি কাটানোর একটা উপায় হয়ে গেছে।"
মাহবুব cbajia-র VIP প্রোগ্রামেও যুক্ত হয়েছেন। গোল্ড টায়ারে উঠে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক ১০%-এ পৌঁছেছে। "প্রতি সোমবার সকালে cbajia থেকে ক্যাশব্যাক আসে – এটা এখন অভ্যাস হয়ে গেছে।"
cbajia-তে আসার আগে তিনি অন্য দুটি সাইট ব্যবহার করেছিলেন। "একটায় উইথড্রয়াল দিয়ে ৩ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। cbajia-তে ১৪ মিনিটে পেয়েছি – এই পার্থক্যটাই সব।"
cbajia-র অ্যাপটি মাহবুবের পুরনো Android ফোনেও ভালো কাজ করে। "আমার Samsung J7 আছে, একটু পুরনো মডেল। কিন্তু cbajia ঠিকঠাক চলে। অন্য সাইটগুলো মাঝে মাঝে হ্যাং করত।"
পাঁচশোরও বেশি কেস স্টাডি বিশ্লেষণ করে কিছু সাধারণ বিষয় লক্ষ্য করা গেছে। প্রথমত, সফল সদস্যরা প্রায় সবাই ছোট অঙ্ক দিয়ে শুরু করেছেন এবং ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়িয়েছেন। তাড়াহুড়া করে বড় বেট করতে যাননি।
দ্বিতীয়ত, cbajia-র বোনাস সিস্টেম সঠিকভাবে ব্যবহার করলে প্রকৃত বিনিয়োগ অনেকটা কমে যায়। ডেইলি চেক-ইন পয়েন্ট, সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক এবং রেফারেল বোনাস মিলিয়ে একজন সক্রিয় সদস্য মাসে বেশ ভালো পরিমাণ বোনাস পান।
তৃতীয়ত, cbajia-র বাংলা ইন্টারফেস গ্রামীণ ও অর্ধ-শহুরে সদস্যদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়। যারা আগে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেননি, তাদের অনেকেই cbajia দিয়েই প্রথম পরিচয় পেয়েছেন।
বয়সের দিক থেকে দেখলে, ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী সদস্যরা cbajia-তে সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। পেশাগতভাবে কৃষক, ব্যবসায়ী, ছাত্র, গৃহিণী – সব শ্রেণির মানুষ আছেন। cbajia-র ন্যূনতম ৳৫০ ডিপোজিটের সুবিধায় কম বাজেটের মানুষরাও অংশ নিতে পারছেন।
ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা থেকেই cbajia-র সদস্য আছেন। তবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও কুমিল্লা থেকে সদস্য সংখ্যা বেশি। উপকূলীয় জেলা – কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা – থেকেও উল্লেখযোগ্য সদস্য রয়েছেন।
cbajia-র মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনের কারণে ডেস্কটপ ব্যবহারকারী মাত্র ৮%। বাকি সবাই স্মার্টফোন থেকে ব্যবহার করেন। পুরনো Android ডিভাইসেও অ্যাপ মসৃণভাবে চলে – এটা অনেকের কাছেই বড় সুবিধা।
তারা বলছেন
প্রশ্ন আছে?
বগুড়ার জাহাঙ্গীর, সেন্ট মার্টিনের রাফিয়া, কক্সবাজারের করিম – তাদের মতো আপনিও cbajia-তে নিজের পথ তৈরি করতে পারেন। ৳৫০ দিয়ে শুরু করুন, বাংলায় সব কিছু বুঝুন এবং বাড়তি আয়ের একটি নতুন সুযোগ উন্মুক্ত করুন।