cbajia শুধু একটি ওয়েবসাইট নয় – এটি একটি প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষ যেন নিরাপদে, বাংলায় এবং নিজের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে অনলাইন বেটিং উপভোগ করতে পারেন – এই লক্ষ্য নিয়েই cbajia-র যাত্রা শুরু হয়েছিল।
আমাদের গল্প
২০২০ সালের শেষ দিকে যখন cbajia-র যাত্রা শুরু হয়, তখন একটাই প্রশ্ন ছিল – বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ অনলাইন বেটিং পেতে চাইলে কী সমস্যায় পড়েন? উত্তর পেতে দেরি হয়নি। ইংরেজি ইন্টারফেস, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি, দীর্ঘ উইথড্রয়াল সময় এবং বাংলায় সাপোর্টের অভাব – এই সমস্যাগুলো বারবার উঠে এল।
cbajia তৈরি হয়েছে এই সমস্যাগুলোর সমাধান হিসেবে। পুরো ইন্টারফেস বাংলায়, পেমেন্ট bKash ও Nagad-এ, উইথড্রয়াল ১৫ মিনিটে এবং সাপোর্ট ২৪ ঘণ্টা বাংলায় – এই চারটি বিষয়ই cbajia-র মূল ভিত্তি।
প্রথম বছরে মাত্র কয়েক হাজার সদস্য ছিলেন। আজ পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষ cbajia-তে নিবন্ধিত। ঢাকার গুলিস্তান থেকে কক্সবাজারের সমুদ্রপাড় – বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাতেই cbajia-র সদস্যরা আছেন। এই বিস্তার শুধু সংখ্যার নয়, বিশ্বাসের।
cbajia-র দলটি বিশ্বাস করে যে প্রযুক্তি মানুষের কাছে আসা উচিত – মানুষকে প্রযুক্তির কাছে যেতে বাধ্য করা উচিত নয়। তাই cbajia-র প্রতিটি আপডেটে সদস্যদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আমাদের লক্ষ্য
cbajia শুধু ব্যবসা নয়, একটি দায়িত্বশীল প্রতিশ্রুতি
cbajia বিশ্বাস করে যে অনলাইন বিনোদন ও বেটিং সুবিধা পেতে হলে ইংরেজি জানতে হবে বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে – এই ধারণাটা পুরনো। আমাদের মিশন হলো bKash, Nagad ও সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেসের মাধ্যমে এই সুবিধা সবার কাছে নিয়ে যাওয়া।
আগামী পাঁচ বছরে cbajia শুধু বাংলাদেশ নয়, পশ্চিমবঙ্গ ও বিশ্বের বাংলাভাষী সদস্যদের কাছেও একটি পরিচিত ও বিশ্বস্ত নাম হবে। প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা ও ব্যবহারকারীর সুবিধাই আমাদের ভিশনের তিনটি স্তম্ভ।
কেন cbajia বেছে নেবেন?
বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝে তৈরি – প্রতিটি ফিচার আপনার জন্য
বিশ্বাসের ভিত্তি
বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্ট পাঠানো একটা বড় সিদ্ধান্ত। cbajia জানে এই বিশ্বাসটা অর্জন করতে হয়, দাবি করলেই হয় না। তাই cbajia-র প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
পারফরম্যান্স সূচক
নিচের পরিসংখ্যানগুলো cbajia-র নিজস্ব তথ্য বিশ্লেষণ থেকে নেওয়া। প্রতি ত্রৈমাসিকে এগুলো পর্যালোচনা করা হয়।
আমাদের দল
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার মিশেলে গড়া একটি নিবেদিত দল
* গোপনীয়তার জন্য সম্পূর্ণ নাম প্রকাশ করা হয়নি।
আমাদের বিস্তার
cbajia শুরু হয়েছিল ঢাকা থেকে, কিন্তু এখন বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে এর উপস্থিতি। পাহাড়ি বান্দরবান থেকে সমুদ্রপাড়ের কক্সবাজার, উপকূলীয় পটুয়াখালী থেকে উত্তরের দিনাজপুর – সব জায়গায় cbajia-র সদস্যরা প্রতিদিন প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছেন।
এই বিস্তার সম্ভব হয়েছে মূলত তিনটি কারণে: মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন, bKash ও Nagad পেমেন্ট এবং সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস। ইন্টারনেটের গতি যাই হোক, cbajia মসৃণভাবে চলে।
সবচেয়ে বেশি সদস্য যেসব জেলায়:
পেমেন্ট ও প্রযুক্তি অংশীদার
cbajia-কে আরও গভীরভাবে জানুন
cbajia-র সাথে যখন কথা বলেন, তখন অপর প্রান্তে একজন বাংলাদেশি আছেন যিনি আপনার সমস্যাটা বাংলায় বোঝেন। এই মানবিক স্পর্শটাই cbajia-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখে।
বাংলাদেশের অনলাইন বেটিং বাজারে অনেক আন্তর্জাতিক সাইট আছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশের সাথে সাধারণ বাংলাদেশি সদস্যের একটা দূরত্ব থেকে যায়। cbajia সেই দূরত্বটা ঘুচিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে – প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি যোগাযোগে।
cbajia-তে সদস্য হওয়ার পর থেকেই একটা পার্থক্য অনুভব করেন মানুষ। ডিপোজিট করার পর সাথে সাথে বোনাস, বেট জেতার পর মিনিটের মধ্যে টাকা, আর সমস্যা হলে বাংলায় সমাধান – এই তিনটি বিষয় মিলিয়ে cbajia-র পরিবার প্রতিদিন বড় হচ্ছে।
২০২৬ সালে cbajia একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে – দায়িত্বশীল খেলার প্রতি প্রতিশ্রুতি আরও জোরালো করা হয়েছে। এখন প্রতিটি সদস্য নিজের বাজেট লিমিট সেট করতে পারেন, সাময়িক বিরতি নিতে পারেন এবং প্রয়োজনে নিজেকে সাময়িক বন্ধ করতে পারেন। cbajia বিশ্বাস করে – জেতার আনন্দ তখনই সত্যিকারের আনন্দ, যখন তা দায়িত্বের সাথে উপভোগ করা হয়।
সদস্যদের বয়স ও পেশার বৈচিত্র্য cbajia-র অন্যতম শক্তি। ১৮ বছরের তরুণ থেকে শুরু করে ৬০ বছরের ব্যবসায়ী, কৃষক থেকে প্রকৌশলী, গৃহিণী থেকে উদ্যোক্তা – cbajia-র পরিবারে সবার জায়গা আছে। প্রতিটি বয়সের ও পেশার মানুষ যেন নিজেদের মতো করে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারেন, এই লক্ষ্যেই cbajia-র ডিজাইন ও কনটেন্ট পরিচালিত হয়।
ভবিষ্যতে cbajia আরও নতুন ফিচার ও বিভাগ যুক্ত করতে চলেছে। সদস্যদের মতামত ও চাহিদার ভিত্তিতেই এই পরিকল্পনাগুলো তৈরি হচ্ছে। cbajia-র লক্ষ্য একটাই – বাংলাদেশের সেরা ডিজিটাল বিনোদন অভিজ্ঞতা দেওয়া, প্রতিটি সদস্যকে।
প্রশ্ন আছে?